যোগীর উত্তরপ্রদেশের সাথে মুসলিম হেনস্থা যেন সমার্থক শব্দ হয়ে গেছে। একদিন আগেই বাগপতে চলন্ত ট্রেনে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী তিন মুসলিম মৌলবীকে চরম হেনস্থা করে, যার ঘা এখনো দগদগে। আর কদিন আগেই যোগীর সভায় মুসলিম মহিলাকে বোরখা খুলতে বাধ্য করা হয়। এভাবেই মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর আঘাত যেন উত্তর প্রদেশের রোজকারের ঘটনা। এবার উত্তরপ্রদেশের একটি মিশনারি স্কুলের এক মুসলিম ছাত্রীর হেডস্কার্ফ খুলে নেওয়া হল। ও একজনকে হেডস্কার্ফ পরে আসতে মানা করা হল। সূত্রের খবর প্রাথমিক শিক্ষা আধিকারিক পি এন সিংহ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা এখনও কোনো জবাব দেয়নি বলে জানা গেছে। ছাত্রীর বাবা মহম্মদ রিজভির জানান, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, মেয়েদের বয়স ৯ বছর হওয়ার পর থেকে হেডস্কার্ফ পরতে হয়। তাই তিনি স্কুলের প্রিন্সিপাল অর্চনা থমাসকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেন, যাতে তাঁর মেয়েকে হেডস্কার্ফ পরতে দেওয়া হয়। কিন্তু এর উত্তরে তাকে ইসলামীয় স্কুলে ভর্তি করানোর কথা বলেন প্রিন্সিপাল। তিনি জেলাশাসকের কাছে আরও অভিযোগ করেন যে, ‘তাঁর মেয়েকে হেডস্কার্ফ পরতে মানা করা হয়। আরেকটি মেয়ের হেডস্কার্ফ খুলে দেওয়া হয়। কিন্ত ওই স্কুলে বহু শিখ ছাত্রও পড়ে। তাদের কখনই পাগড়ি খুলতে বলা হয় না।’ কিন্তু প্রিন্সিপাল থমাস তা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি চাই না মেয়েটি এই স্কুল ছেড়ে যাক। আমি ওর বাবাকে বলেছি, নিয়ম নিয়ে সমস্যা থাকলে অন্য স্কুলে মেয়েকে ভর্তি করাতে পারেন।’ শিখ ছাত্রদের পাগড়ি পরার কথাই তিনি বলেন, ওই স্কুলে কোনও শিখ ছাত্র পড়েনা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment