শিলচর : বিভাগীয় বাধা-নিষেধ তো বটেই, বিশেষ করে ফায়ার সেফটি সংক্রান্ত নিয়মাবলী উপেক্ষা করে দেদার বাণিজ্য করছিল শিলচরের বিবাহভবন ‘আশীর্বাদ’। খোলসা করেছেন অগ্নিনির্বাপক দফতর-সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তারা। গোপন সূত্রের খবর, দেদার অনিয়মের ঘটনাবলি ধামাচাপা দিতে এবার শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলের দৌড়।
উল্লেখ্য, শিলচরে সার্কিট হাউস রোডে পুরাতন করিমগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডের পার্কিংস্পটে প্রায় বছর খানেক থেকে গড়ে উঠছিল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আশীর্বাদ বিবাহ ভবন। এই বিবাহ ভবনের টিনের ছাউনিতে সোমবার বিদ্যুতের ছোবলে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর দমকল অধিকারিকরা এর স্বত্বাধিকারীকে তাঁদের দফতর তলব করেছিলেন। কিন্তু এই তলবকে আমল দেননি আশীর্বাদ-এর কর্ণধার।বিবাহ বাসরটির অবস্থানের বৈধতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগের পর প্রকাশ্যে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য।
দমকল স্টেশনের ইনচার্জ জানিয়েছেন, শীঘ্রই শোকজ করা হবে আশীর্বাদ-এর স্বত্বাধিকারীকে। ইভোল্টেজ বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের নীচে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আশীর্বাদ বিবাহ বাসরের কোনও সরকারি অনুমতি নেই। কী করে তা সম্ভব, প্রশ্ন তুলেছেন স্টেশন ইনচার্জ।এদিকে বিবাহ ভবনর কর্ণধারের বক্তব্য, হতভাগ্য নিহত শ্রমিক টিঙ্কু পাল সদ্য কাজে যোগ দিয়েছিল তাঁর এই প্রতিষ্ঠানে। এর আগে তাঁর মালিকানাধীন অন্য বিবাহ ভবনে ছিল সে। অগ্নি সুরক্ষা-সহ অন্যান্য সরকারি বিধি-নিষেধ সংক্রান্ত বিষয়ে অবশ্য কিছুই এখন জানাতে অনিচ্ছা ব্যক্ত করেছেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।এদিকে, নিহত শ্রমিকের পরিবারের পক্ষে থানায় এখনও কোনও এজাহার পড়েনি বলে জানিয়েছেন তারাপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ। তবে বিবাহ ভবন এবং শ্রমিক নিহতের বিষয়গুলি সম্পর্কে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
No comments:
Post a Comment