আগরতলা: ছুটেই চলেছে মোদী-শাহ জুটির অশ্বমেধের ঘোড়া। ত্রিপুরায় নিরঙ্কুশ জয় এবং নাগাল্যান্ডে শরিক দলের সঙ্গে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি। মেঘালয়তেও সরকার গঠনে মরিয়া গেরুয়া শিবির। তবে এই ফলাফলে স্পষ্ট, মোদী-শাহের আমলে বিজেপি এখন অপ্রতিরোধ্য।
মধ্য, উত্তর ও পশ্চিম ভারত জয়ের পর বিজেপির 'লুক ইষ্ট' নীতিও সফল। উত্তর পূর্বে পদ্ম ধ্বজা উড়িয়ে মোদী-শাহ'র অশ্বমেধের ঘোড়া এবার দক্ষিণে পাড়ি দিতে চলেছে। আগামী মে মাসে কর্ণাটকের ভোটের বাদ্যি বেজে যাওয়ার কথা। হাতে গোনা যে কটি রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় আছে তার মধ্যে একটি হল কর্ণাটক। এরপর বাকি পাঞ্জাব ও মিজোরাম। তবে টার্গেট এখন কর্ণাটক।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মোদী-শাহ আমলে বিজেপির এখন স্বর্ণযুগ চলছে। প্রায় গোটা দেশ গেরুয়াময়। বিক্ষিপ্তভাবে বিরোধীরা এদিক ওদিক টিমটিম করে জ্বলছে। গেরুয়া ঝড়ে এমনিতেই তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। যারা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা সর্বশক্তি দিয়ে আকড়ে পড়ে রয়েছেন।
নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরা জয়ের পর অমিত শাহের প্রতিক্রিয়া, এখানেই থামছি না। এরপর কর্ণাটক, ওডিশা, বাংলা ও কেরলে আমাদের জিততেই হবে। অর্থাত্ অশ্বমেধ ঘোড়ার রুট বানিয়ে ফেলেছেন শাহ। কর্ণাটক হয়ে সেটি ছুটবে ওডিশা, বাংলা ও কেরলে।
এদিকে উত্তর পূর্বাঞ্চলের আরও দুটি রাজ্য ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ড জয়ের পর কুড়িটি রাজ্যে ক্ষমতায় এসে গেল বিজেপি। মেঘালয়ে যদি তারা সরকার গঠন করতে পারে তা হলে একুশটি রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। এই কৃতিত্ব ইন্দিরা গান্ধীর সময়েও কংগ্রেসেরও ছিল না।
সম্পূর্ণ ভারত জয়ের জন্য বিজেপির দরকার আর আটটি রাজ্য। সেগুলি হল, পাঞ্জাব, কর্ণাটক, মিজোরাম, পশ্চিমবঙ্গ, ওডিশা, তামিলনাডু, তেলেঙ্গানা, কেরল। এছাড়া বাকি ২০টি রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি। আগামী বছর লোকসভা ভোট। তার আগে প্রতিটি নির্বাচন যেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজ্যে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর স্বাভাবিক ভাবে লোকসভা ভোটে বিরোধীদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে বিজেপি।
No comments:
Post a Comment